আধ্যাত্মিক ব্লগ

হাঁচির মর্ম: প্রেক্ষাপট, ব্যবহারবিধি ও সতর্কতা

হাঁচির মর্ম: প্রেক্ষাপট, ব্যবহারবিধি ও সতর্কতা বিষয়ে মন্ত্রগুরু এ্যাসোসিয়েশনের প্রাচীন অভিজ্ঞতা, আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যবহারিক নির্দেশনার আলোকে প্রস্তুত প্রবন্ধ।

হাঁচির মর্ম: প্রেক্ষাপট, ব্যবহারবিধি ও সতর্কতা
আমাদের দৈনন্দীন জীবনে নানা রকম ভাবে প্রকৃতি আমাদের প্রতিটি কাজের আগমন বার্তা দিয়ে থাকি, আমরা শুধু দেখতে বা শুনতে পাই না, যেমন আমরা যদি আমাদের হাঁচির তত্ব সঠিক ভাবে মনে রাখি তবেও আমরা আমাদের সামনে আগত অনেক প্রতিকুল সমস্যার ব্যপারে অন্তত্য সাবধান হতে পারবো।
নিম্নলিখিত সময়ের হাঁচিতে কোন ভালো মন্দ ফলাফল নেই। যেমনঃ
  1. কোথাও যাত্রার পর পথ চলার সময়।
  2. ইবাদত-বন্দেগী ও দান-খয়রাত করার সময়।
  3. পোশাক-পরিচ্ছেদ পরিধান করার সময়।
  4. পানাহার করার সময়।
  5. পায়খানা-প্রসাব করার সময়।
  6. বিবাহ-শাদীর সময়।
  7. শয্যায় শয়নকালে।
  8. এ ছাড়া বৃদ্ধ ও শিশুদের হাঁচি এবং সর্দি-কাশি জনিত হাঁচির কোন মানে হয় ন।
দিক নির্দেশনায় হাঁচির ফলাফলঃ
পূর্ব দিকে হাঁচি উঠলে - কার্য সিদ্ধি হবে।
পশ্চিম দিকে হাঁচি উঠলে - অশুভ লক্ষণ।
দক্ষিন দিকে হাঁচি উঠলে - ক্ষতির সম্ভবনা বা খারাপ সংবাদ আসবে।
উত্তর দিকে হাঁচি উঠলে - মনোবাসনা সিদ্ধ হবে।
ঈশান কোনে হাঁচি উঠলে - ভালো কাজের পরিনাম মন্দ হবে।
অগ্নি কোনে হাঁচি উঠলে - সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে।
বায়ু কোনে হাঁচি উঠলে - হারানো দ্রব্য ফিরে পাবার লক্ষণ।
নৈঋত কোনে হাঁচি উঠলে - সব কাজে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
ইহা ছাড়াও কোথাও কোন শুভ কাজে যাত্রা কালে যদি সামনে গরু হাঁচি বা কাসি দেয় তবে অবশ্যই সেই যাত্রা রথ করতে হবে নতুবা একটু থেমে যেতে হবে কারন ইহা সবচাইতে ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ব্যবহার বিধি

- লেখাটি ঐতিহ্য, বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত অনুশীলনের আলোকে পড়ুন।
- কোনো গুরুতর সমস্যায় বাস্তবসম্মত সহায়তা ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিন।
- অন্যের ক্ষতি, ভয় দেখানো বা জবরদস্তিমূলক প্রয়োগ এড়িয়ে চলুন।