বিসমিল্লাহ শরিফের কতিপয় ফজিলতঃ বিষয়ে মন্ত্রগুরু ডট অর্গের সংরক্ষিত পোস্ট—এখানে মূল লেখা অক্ষত রেখে প্রেক্ষাপট, ব্যবহারবিধি ও সতর্কতা যুক্ত করা হয়েছে।
প্রাতিষ্ঠানিক ভূমিকা
দোয়া ও আমল মানুষের বিশ্বাস, প্রার্থনা, আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক জীবনচর্চার সঙ্গে যুক্ত। এই পোস্টটি পাঠ করার সময় মূল দোয়া বা আমলকে সম্মান রেখে তার উদ্দেশ্য, প্রেক্ষাপট ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের দিকটি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই সংস্করণে পুরোনো পোস্টের মূল অংশ সংরক্ষণ করা হয়েছে। মন্ত্র, দোয়া, আমল বা তান্ত্রিক অংশের মূল ভাষা ইচ্ছাকৃতভাবে পরিবর্তন করা হয়নি; শুধু পাঠকের সুবিধার জন্য প্রেক্ষাপট, ব্যবহারবিধি, সতর্কতা ও ভাষাগত উপস্থাপনা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সাজানো হয়েছে।
পাঠ-পূর্ব প্রেক্ষাপট
মন্ত্রগুরু ডট অর্গ ১৯৯৬ সাল থেকে বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের জন্য তন্ত্র, মন্ত্র, দোয়া, আধ্যাত্মিক অনুশীলন ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কনটেন্ট সংরক্ষণ করে আসছে। এই লেখাটি সেই আর্কাইভের অংশ; তাই একে লোকজ বিশ্বাস, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য, ব্যক্তিগত অনুশীলন এবং আধুনিক সতর্কতার সমন্বয়ে পড়া উচিত।
ব্যবহারবিধি ও দায়িত্বশীলতা
- পরিচ্ছন্নতা, নিয়ত ও নিয়মিততার প্রতি যত্নবান থাকুন।
- দোয়া বা আমলকে চিকিৎসা, আইন বা জরুরি সিদ্ধান্তের বিকল্প করবেন না।
- ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও অন্যের মর্যাদা রক্ষা করুন।
মূল পোস্টের সংরক্ষিত অংশ
মন্ত্রগুরু
বিসমিল্লাহ শরিফের কতিপয় ফজিলতঃ
“বিসমিল্লাহ হির রহমানির রাহিম”
বিধিঃ অবশ্যই প্রতিটি আমলের জন্য একজন কামেল ব্যক্তির যর্থাথ অনুমতি ও সঠিক বিধি মেনে পড়তে হবে।
১ম) যে কোন সৎ উদ্দেশ্য পূরনের জন্য উক্ত আয়াত শরিফ এক রাত্রে ১২ (বার) হাজার পাঠ করিলে এবং প্রতি হাজারের পর দুই রাকাত নফল নামজ পড়িতে হইবে।
২য়) প্রতিদিন (মুসলিম) ফজর ও এশা নামাজ বাদে যদি ৭৮৬ (সাত শত সিয়াষি) বার উক্ত আয়াত পাঠ করা হয় তবে সকল রকম বিপদাপদ থেকে নিরাপদ থাকা যায়।
৩য়) বর্ষা মৌসুমের বন্যার পানী সংরক্ষন করে যদি উক্ত আয়াত এক হাজার বার বিধি মত পাঠ করে পানিতে ফু দিয়ে কোন ব্যক্তি পান করে তবে সে সকলের নিকট প্রিয় পাত্র হবে এবং নেতা হয়ে যাবে।
৪র্থ) বর্ষা মৌসুমের বন্যার পানী সংরক্ষন করে যদি উক্ত আয়াত এক হাজার বার বিধি মত পাঠ করে পানিতে ফু দিয়ে কোন ব্যক্তি একাধারে সাতদিন পান করিলে সেই ব্যক্তির মেধাশক্তি ও ধী-শক্তি প্রখর হইবে।
৫ম) প্রতিদিন প্রযাপ্ত পরিমানে পাঠ করিতে থাকলে স্রষ্টার কৃপায় সে মালদার হইবে এবং রোজগারে বরকত হইবে।
৬ষ্ঠ) কোন অত্যাচারির সামনে বসিয়া যদি মনে মনে উহা তেলাওয়াত করা হয় তবে অত্যাচারির হৃদয় কোমল হইবে সে আর অত্যাচার করিতে পারিবে না।
৭ম) প্রতিদিন ঘুমানোর আগে যদি কোন ব্যক্তি আড়াই হাজার বার পাঠ করে ঘুমায় তবে সমস্ত মাখলুক তার অনুগত হইবে।
৮ম) অনাবৃষ্টির সময় খাছ দিলে যদি কেউ বিধি মত মাত্র ৭১ (একাত্তর) বার পাঠ করে বৃষ্টির জন্য র্পাথনা করে তবে অবশ্যই বৃষ্টি হইবে।
৯ম) কোন ব্যক্তি যদি সূর্যদ্বয়ের সময় কেবলার দিকে মুখ করিয়া তিনশত তেরবার উহা পাঠ করে এবং শেষে একশত বার যে কোন দরুদ পাঠ করে তবে তার রোজগার উত্ত্বরত্তর বৃদ্ধি পাইবে।
১০ম) কোন কয়েদি ব্যক্তি যদি কয়েদ খানায় বসিয়া বিধি মোতাবেক এক বৈঠকে ১০০০( এক হাজার) বার পাঠ করে তবে তার কয়েদ থেকে মুক্তির পথ সুগম হইবে।
১১তম) ঘুমানোর আগে যদি বিধি মোতাবেক কোন ব্যক্তি মাত্র ২১ বার তেলাওয়াত করে ঘুমায় তবে তার ঘরে সেদিন চোর, ডাকাত, দেও, দানব, জ্বীন, শয়তান কেহই উপদ্রব করিতে পারিবে না।
১২তম) কোন উন্মাদ পাগল বা মৃগি রুগীর বা জ্বীন ধরা রোগীর কানে কানে বিধি মোতাবেক ৪১ (একচল্লিশ ) বার পাঠ করে যদি তাকে দম করা যায় তবে তার এই সমস্যা লাঘব হইবে।
১৩তম) প্রেসমেন্ট কাগজ বা যে কোন পবিত্র কাগজে বা চামড়ায় বা কাপড়ে নিয়ম মাফিক ৬২৫ ( ছয় শত পচিঁশ ) বার লিখে সংগে রাখিলে সে ব্যক্তিকে সকলে সম্মান করে এবং তার সমাজে সু-নাম প্রতিষ্ঠা হয়।
ইহা ছাড়াও এই মহিম্মানিত আয়াতের আরও অসংখ্য গুনাগুন রয়েছে যদি বিধি মোতাবেক ইহা পাঠ করা হয় তবে তার সকল প্রকার সমস্যা বা প্রয়োজন মেটানো সম্ভব।
সতর্কতা ও সীমাবদ্ধতা
এই কনটেন্ট আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। কোনো চিকিৎসা, আইনগত সিদ্ধান্ত, আর্থিক সিদ্ধান্ত বা জরুরি নিরাপত্তা পরিস্থিতির বিকল্প হিসেবে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। অন্যের ক্ষতি, জোরজবরদস্তি, প্রতারণা বা ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে কোনো আধ্যাত্মিক অনুশীলন ব্যবহার করা অনৈতিক।
সম্পাদনা-সহায়ক তথ্যসূত্র