ত্রাটক সাধনা

বশিকরন মন্ত্র সিদ্ধিঃ: একাগ্রতা, ধ্যান ও নিরাপদ অনুশীলন

বশিকরন মন্ত্র সিদ্ধিঃ: একাগ্রতা, ধ্যান ও নিরাপদ অনুশীলন বিষয়ে মন্ত্রগুরু ডট অর্গের সংরক্ষিত পোস্ট—এখানে মূল লেখা অক্ষত রেখে প্রেক্ষাপট, ব্যবহারবিধি ও সতর্কতা যুক্ত করা হয়েছে।

বশিকরন মন্ত্র সিদ্ধিঃ: একাগ্রতা, ধ্যান ও নিরাপদ অনুশীলন

মূল মন্ত্র/দোয়া

মূল মন্ত্র/দোয়া/আমল অংশ মূল পোস্টের সংরক্ষিত অংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

প্রাতিষ্ঠানিক ভূমিকা

ত্রাটক সাধনা একাগ্রতা ও ধ্যানের একটি পরিচিত যোগিক অনুশীলন, যেখানে দৃষ্টি ও মনকে নির্দিষ্ট বিন্দুতে স্থির রাখার কথা বলা হয়। চোখ বা স্নায়বিক অস্বস্তি হলে এই অনুশীলন বন্ধ করা এবং প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

এই সংস্করণে পুরোনো পোস্টের মূল অংশ সংরক্ষণ করা হয়েছে। মন্ত্র, দোয়া, আমল বা তান্ত্রিক অংশের মূল ভাষা ইচ্ছাকৃতভাবে পরিবর্তন করা হয়নি; শুধু পাঠকের সুবিধার জন্য প্রেক্ষাপট, ব্যবহারবিধি, সতর্কতা ও ভাষাগত উপস্থাপনা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সাজানো হয়েছে।

পাঠ-পূর্ব প্রেক্ষাপট

মন্ত্রগুরু ডট অর্গ ১৯৯৬ সাল থেকে বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের জন্য তন্ত্র, মন্ত্র, দোয়া, আধ্যাত্মিক অনুশীলন ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কনটেন্ট সংরক্ষণ করে আসছে। এই লেখাটি সেই আর্কাইভের অংশ; তাই একে লোকজ বিশ্বাস, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য, ব্যক্তিগত অনুশীলন এবং আধুনিক সতর্কতার সমন্বয়ে পড়া উচিত।

ব্যবহারবিধি ও দায়িত্বশীলতা

  1. শুরুতে অল্প সময় অনুশীলন করুন এবং চোখে চাপ দেবেন না।
  2. চোখ জ্বালা, মাথা ঘোরা বা অস্বস্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করুন।
  3. কম আলোতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অনুশীলন করুন।

মূল পোস্টের সংরক্ষিত অংশ

বশীকরণ নিয়মাবলী
আমাদের ওয়েবে প্রদত্ত বশিকরণ কর্মগুলো সর্ম্পকে অনেকে মন্তব্য করেছেন তা কাজ করে না। এখানে আমরা যে সকল বশিকরণ মন্ত্র প্রদান করেছি তা অধিকাংশই পরীক্ষিত। আপনার কোন মন্ত্র বা তন্ত্র কাজে লাগাতে অবশ্যই একজন সিদ্ধ গুরু প্রয়োজন আর গুরু থাকলেও এগুলো কাজে লাগাতে তার কিছু বিধি মেনে তা সিদ্ধ করতে হয়। আপনি যদি -একটি মন্ত্র লিখা আছে হাজার বার জপের কথা আর আপনি জপ শুরু করে দিলেন তবে তো তা বিফল হবেই। প্রতিটি তন্ত্র বা মন্ত্র সিদ্ধ করতে আমাদের পূর্বপূরুষগন বছরের পর বছর সাধনা করে তারপর এগুলোর সিদ্ধি করেছে, বর্তমানে আমরা পূর্বযুগের মত সময় ও শ্রম কোনটি’ই দিতে পারি না আর তাই এ সকল তন্ত্র মন্ত্র বিলুপ্তির পথে এখন এসেছে ত্রাটকের মত কিছু সাধনা যা সকলের জন্য ও কম সময়ে সকল সিদ্ধ বিধি। আমরা এই একটি কারনে মন্ত্র সাধনায় কোন তদবীর সাধারনত করি না কারন এর ফল খুব ভালো কিন্তু পরিশ্রম অধিক এবং তা সময় সাপেক্ষ যেমন বশিকরণ মন্ত্র সিদ্ধি করতে কিছু নিয়ম মানতে হয় যা পর্যায়ক্রমে নিচে বর্ননা করা হলো- এরপরেও আপনাকে অবশ্যই গুরুর অনুমতি নিতে হবে তবেই পারবেন আপনি একটি মন্ত্র সিদ্ধ করতে।
বশিকরন মন্ত্রের জন্য দিক্ র্নিনয়-
সকল সিদ্ধ সাধক দ্বারা এটি নির্ধারিত যে বশিকরনের জন্য অবশ্যই উত্তরদিক মুখ করে বসাই সর্ব্বত্তম।
বশিকরনের জন্য নক্ষত্র র্নিনয়-
যদি নির্ধারিত তন্ত্রে নক্ষত্র উল্লেখ না থাকে তবে নিন্মলিখিত নক্ষত্রেই মন্ত্র জপ করতে হবেঃ
১। জ্যোষ্ঠা নক্ষত্র-
২। অনুরাধা নক্ষত্র-
৩। উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র-
৪। শতভিষা নক্ষত্র-
৫। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র-
৬। রোহিনী নক্ষত্র-
৭। র্পূব ভাদ্রপদ নক্ষত্র-
৮। অশ্লেষা নক্ষত্র-
বশিকরণে লগ্ন র্নিনয়-
যদি মন্ত্র বিধিতে লগ্ন নির্ধারিত থাকে তবে তা সেই লগ্নে করতে হবে আর যদি না থাকে তবে নিন্ম লিখিত লগ্নে করতে হবেঃ
লগ্ন দিনের সময় বের করতে হবে
১। মেষ লগ্ন
২। কন্যা লগ্ন
৩। ধনু লগ্ন
৪। মীন লগ্ন
বশিকরণের জন্য সময় র্নিনয়-
সাধারনত বশিকরন কর্মে সময় উল্লেখ থাকে, না থাকলে তা র্সূযদ্বয় থেকে পরবর্তি ৪ ঘন্টার মধ্যেই করতে হবে অথবা ভোর ৪ টা থেকে সকল ১০ টার মাঝেই সঠিক শুভ সময় দেখে করা জরুরী।
বশিকরণের জন্য বার র্নিনয়-
বশিকরণ কর্মের জন্য শুক্র, শনি বা রবি বারে নির্দিষ্ট।
তিথি র্নিনয়-
তন্ত্রে অবশ্যই তিথির ভুমিকা অপরিসিম, নবমী, দশমী, একদশী, পূর্নিমা কিছু ক্ষেত্রে আমাবস্যা তিথি নির্ধারিত।
বশিকরণ কর্মের জন্য ঋতু র্নিনয়-
বশিকরণের জন্য বসন্ত ঋতু শ্রেষ্ঠ- দিনের শুরু থেকে প্রথম ৪ ঘন্টাকে বসন্ত ঋতু ধরা হয়।
মন্ত্র উচ্চারন-
মন্ত্র এমন ভাবে উচ্চারন করতে হবে যেন তা খুব জোরে না হয় তবে নিজ কানে যেন শোনা যায়, অস্ফুট স্বরে জপ করতে হবে।
বশিকরণের মালা নির্বাচন-
জপের জন্য মুঁগা বা মোতীর মালা সর্বশ্রেষ্ট তবে রুদ্রাক্ষের মালাও ভালো। প্রতিটি মালাতে দানা থাকবে ২৭ টি অথবা ১০৮ টি করে। জপের জন্য ডান হাত ব্যবহৃত হবে।
বশিকরণের জন্য নাড়ি নির্বাচন-
শুষমা নাড়ী নির্ধারিত অর্থাৎ ডান নাকে শ্বাষ চলাকালিন শুরু করতে হবে নতুবা অবশ্যই তা বিফল হবে।
আপনি যদি মনে করেন আমাদের এখানে প্রদত্ত মন্ত্র আপনার ব্যক্তিগত জীবনে কাজে লাগাবেন তবে তার জন্য অবশ্যই আপনাকে উপরক্ত বিধি মেনে কাজ করতে হবে। অনেকে ভাবতে পারেন এতোগুলো বিষয় পালন করা সম্ভব নয় তবে আমি বলবো আপনি ভুল একটি পঞ্জিকা কিনে একটু সময় দিন আপনি একটি একটি করে ঠিকই পেয়ে যাবেন আপনার র্নিধারিত সময় ও লগ্ন, ব্যস আপনি শুরু করতে পারেন পরীক্ষার জন্য সবচাইতে কম সময় বিশিষ্ট একটি মন্ত্র সাধন করেই দেখুন আপনার ভুল ভাঙ্গবে যে আমরা এগুলো কোনটাই মিথ্যা লিখিনি প্রতিটি’ই পরীক্ষিত।।

সতর্কতা ও সীমাবদ্ধতা

এই কনটেন্ট আধ্যাত্মিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। কোনো চিকিৎসা, আইনগত সিদ্ধান্ত, আর্থিক সিদ্ধান্ত বা জরুরি নিরাপত্তা পরিস্থিতির বিকল্প হিসেবে এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। অন্যের ক্ষতি, জোরজবরদস্তি, প্রতারণা বা ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে কোনো আধ্যাত্মিক অনুশীলন ব্যবহার করা অনৈতিক।

সম্পাদনা-সহায়ক তথ্যসূত্র

ব্যবহার বিধি ও সতর্কতা

- শুরুতে অল্প সময় অনুশীলন করুন এবং চোখে চাপ দেবেন না।
- চোখ জ্বালা, মাথা ঘোরা বা অস্বস্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করুন।
- কম আলোতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অনুশীলন করুন।