আধ্যাত্মিক ব্লগ

পূর্ণশ্চ অনুশরন: প্রেক্ষাপট, ব্যবহারবিধি ও সতর্কতা

পূর্ণশ্চ অনুশরন: প্রেক্ষাপট, ব্যবহারবিধি ও সতর্কতা বিষয়ে মন্ত্রগুরু এ্যাসোসিয়েশনের প্রাচীন অভিজ্ঞতা, আধ্যাত্মিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ব্যবহারিক নির্দেশনার আলোকে প্রস্তুত প্রবন্ধ।

পূর্ণশ্চ অনুশরন: প্রেক্ষাপট, ব্যবহারবিধি ও সতর্কতা
আপনাকেজন্ম দিয়েছে এই সু-বিশাল প্রকৃতি আপনি এই প্রকৃতিরই একটি অবিচ্ছেদ্দ্য অংশ। আপনার সবকিছুই প্রকৃতি নির্ভর আপনার চলাফেরা উঠা বসা হাসি কান্না সমস্ত কিছুই প্রকৃতির নিয়ন্ত্রনে, ঠিক আপনাকে যেমন নিয়ন্ত্রন করে প্রকৃতি তেমনি আপনিও কি পারেন না এই সু-বিশাল প্রকৃতিকে কিছুটা নিয়ন্ত্রন করতে ! ! ! হ্যা তা অবশ্যই সম্ভব এই প্রকৃতি মানুষকে শিখিয়েছে কি ভাবে তাকে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব। আপনার চারপাশের ঘটে যাওয়া অনেক কিছুরই কারন সর্ম্পকে আপনি জ্ঞ্যত না যা আমরা সচারাচর দেখতে দেখতে অভস্ত হওয়ার কারনে আমাদের মনেও কখনও প্রশ্ন যাগে না এটা কি কেন কি ভাবে। কিন্তু তা ঘটে ঘটছে এবং অনন্ত কাল ঘটবে- যেমনআপনিপ্রতিদিনস্বপ্নদেখেনসর্ম্পূনঅপরিচিতজগতেবিচরনকরেনকখনওবাঅতিতেচলেযানকখনওবাভবিষ্যতেকখনএমনকিছুদেখেনযাহয়তোবাস্তবেপরিনতহয়কিন্তুএমনটাকেনহয়।।
আপনার জীবন > আপনার জন্ম ও মৃত্যুর মাঝে যে সময়টা আপনি পৃথিবীতে অবস্থান করছেন, শুধু শতকরা নয় হাজারে 1 জন ব্যাক্তিও তার জীবন সর্ম্পকে জ্ঞ্যত নয়, আমি কি, কোথায় ছিলাম, কোথায় এলাম, কেন এলাম, কিভাবে এলাম, কিছুই আমরা ভাবি না। শুধু খাই-দাই-নাচি-গাই, শিশু-শৈশব-কৈশর-যৌবন-পৌঢ় ও তারপর বৃদ্ধাবস্থায় মৃত্যু শেষ, এর মাঝখানে শুধু খাটা খাটনি, পেটের জন্য ছোটা ছুটি, মারা মারি, হানা হানী, ছল চাতুরী, সংসারের পিছনে ঘানী টানা এই তো। এতেই সব শেষ, আমরা অনেকেই জানিনা আমাদের প্রত্যেকের মাঝেই রয়েছে আর এক আমি, অষিম শক্তিধর, প্রখর মেধা ও সৃজনী গুনের অধিকারী, সমস্ত সমস্যার সমাধান কারী ! আমরা চলমান জীবনে তার সাক্ষাৎ কেউ কেউ কখনও কখনও বা পাই, কিন্তু কোন গুরুত্ব দেই না। আমাদের অজ্ঞতার কারনে কখনও তাকে আমরা টেনে আনার চেষ্টা করি না, আমাদের চলমান বাস্তব জীবনে তাকে খাটাতে চাই না, বা পারি না। কিন্তু একটু ভাবুন যদি আমাদের এই চরম ব্যর্থতা পূর্ন এই চলমান জীবনে তাকে সংগী হিসেবে একবার পাই, আমাদের এই সাধারন জীবন কি আর সাধারন থাকবে। নাকি অসাধারন হয়ে যাবে! একটু ভাবুন > যখন আপনি ঘুমিয়ে থাকেন তখন স্বপ্ন দেখেন- কখনও বাস্তব, কখনও অবাস্তব, কখনও অলিক, কখনও পুলকিত, আবার কখনও ভিত হয়ে যান। # কেন দেখেন স্বপ্ন ? কিছু জ্ঞ্যনি ব্যাক্তি ব্যাখা করেছে দিনের ভাবনা গুলো রাতে স্বপ্ন হয়ে দেখা দেয়, আবার কারও মতে দুর্বল অসুস্ত মানুষ বেশি স্বপ্ন দেখে ইত্যাদি ব্যাখা। আপনার কি মনে হয় ? এটা সঠিক ? আপনি ভাবুন তো কোন বিষয় নিয়ে সারাটা দিন- রাতে স্বপ্ন দেখেন কি? এটা শতকরা 5% ঘটে। বাকিটা তাহলে কি কেন ? আমার উল্টা পাল্টা কথা বুঝতে হলে ভাবতে হবে । কখনও আপনি বাইরে থেকে বাসায় আসছেন রাস্তায় হটাৎ মনে হলো আজ বোধ হয় অমুক এসেছে, বা আজ বোধ ঐ তরকারী টা রান্না হয়েছে, এবং শেষ পর্যন্ত বাসায় গিয়ে দেখা গেল হ্যা সেটাই সঠিক কিন্তু এটা কি ভাবে আপনার মনে উদয় হলো। স্বপ্ন কখনও কখনও সত্যি হয়, কেন হয়। সন্তানের ‍দুঃসংবাদ মা/বাবা আগে উপলব্ধি করতে পারে কেন ? হটাৎ করেই আপনি কোন কিছুর ভবিষৎ বুঝতে পারেন কেন? কোন কোন মুরুব্বি ঝাড়া দিলে সংগে সংগে গলার কাটা নামে, বা জ্বর ছেরে যায়, বাচ্চার কান্না বন্ধ হয়ে যায় কেন ? আগে বৃষ্টির জন্য ঈদের মাঠে বা খোলা মাঠে নামাজ হতো এবং আমার নিজের জীবনেই একবার এক নামাজে উপস্থিত হয়েছিলাম, নামাজ পড়তে পড়তেই বৃষ্টি এবং বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে বাড়ী ফিরেছিলাম কিন্তু কেন ? কোন মেয়ে কোন ছেলেকে একদমই সহ্য করতে পারে না আবার একটি সময় সেই ছেলের জন্য জীবন দিল কেন ? এমন হাজারো কেন এর উত্তর আপনার আমার জানা নেই, কিন্তু তা ঘটে চলছে নিয়মিতি।এবার আসুন দেখি আমি আপনি মিলে আমরা চেষ্টা করি সেই অদৃশ্য শক্তিধর আমিকে কি কোন ভাবে আমাদের চলমান জীবনের সংগি করা যায় কি না !!! >> আসলে আগের মানুষের ধর্য এবং চিন্তা ছিল নিরবিচ্ছিন্ন আর এখন এই দুটাই আমাদের কম তাই একটু অন্য ভাবে আমি আপনাদের সামনে আগাতে বলবো হয়তো একটু সর্টকার্ট তবে বিশ্বাষ রাখতে পারেন হবেই অন্তত্য কিছু তো হবেই। যেমন হয়তো বিশ্বাষ করেন স্বর্গ নরক, ভুত, স্রষ্টা তেমন একটু বিশ্বাষ করেই দেখুন না ! আপনিও ভাবতে বাধ্য হবেন কেন কেন কেন কেন আগে এই বিষয়টা ভাবিনি, কেন এতোদিন আমি এই ব্লগটা পড়িনি !!!))

ব্যবহার বিধি

- লেখাটি ঐতিহ্য, বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত অনুশীলনের আলোকে পড়ুন।
- কোনো গুরুতর সমস্যায় বাস্তবসম্মত সহায়তা ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিন।
- অন্যের ক্ষতি, ভয় দেখানো বা জবরদস্তিমূলক প্রয়োগ এড়িয়ে চলুন।